বাঁকুড়া শহরে একের পর এক হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং খাবারের দোকানে হানা দিল এনফোর্সমেন্ট বিভাগ ও পুলিশ। খাবার তৈরির প্রক্রিয়া, ব্যবহৃত তেল-মশলার মান এবং স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখেন আধিকারিকরা।
দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ ছিল, শহরের বিভিন্ন খাবারের দোকানে স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই খাবার তৈরি ও বিক্রি করা হচ্ছে। নিম্নমানের তেল ও মশলা ব্যবহারের পাশাপাশি খাবারে ক্ষতিকর রাসায়নিক বা রং ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। এমনকী তৈরি খাবার অনেক ক্ষেত্রে ঢেকে রাখা হয় না, ফলে খাবারের উপর মাছি বসার মতো ঘটনাও দেখা যায়।
অভিযানের সময় দোকানদারদের ব্যবহৃত তেলের ব্র্যান্ড ও গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন করেন আধিকারিকরা। এক আধিকারিক তেল ব্যবহারের বিষয়ে সতর্ক করে সর্ষের তেল বা নারকেল তেল ব্যবহারের পরামর্শ দেন। পাম তেলে খাবার ভাজার বিষয়ে তিনি স্বাস্থ্যঝুঁকির কথাও জানান।
বাঁকুড়া শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত বাজার এবং রাস্তার ধারে থাকা বিভিন্ন খাবারের দোকানে চলে এই অভিযান। খাবার তৈরির জায়গার পরিচ্ছন্নতা থেকে শুরু করে কাঁচামাল ও প্রস্তুত খাবারের সংরক্ষণ—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হয়।
কোনও দোকানে বেনিয়ম নজরে এলে প্রথম দফায় ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেন আধিকারিকরা। আগামী দিনে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলেই ইঙ্গিত মিলেছে। এর আগে কালোবাজারি রুখতেও বাঁকুড়ার চকবাজার এলাকায় দোকানগুলিতে অভিযান চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট বিভাগ ও পুলিশ।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







