নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তে দলের পুরনো নাম ও প্রতীক হারানোর পর এবার সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছে তাঁর শিবির। এই মামলায় যুক্ত করা হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কেও। আগামী সপ্তাহে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে মামলাটি শুনানির জন্য উঠতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে আপাতত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং দীর্ঘদিনের ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারছে না দুই শিবিরই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়েছে ‘মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ প্রতীক। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির পেয়েছে ‘ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম ও ‘খাম’ প্রতীক।
কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়ে মমতা শিবিরের বক্তব্য, দলের সাংগঠনিক কাঠামো ও পরিচয় যথাযথভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এই সিদ্ধান্তের ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে দলের পরিচিতি ও ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে বলে তাদের দাবি।
প্রথমে কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে কি না, তা নিয়ে জল্পনা ছিল। কারণ, কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও বাকি—এই যুক্তিতে আদালত বিষয়টি ফের কমিশনের কাছেই পাঠাতে পারে, এমন সম্ভাবনাও আলোচনায় ছিল।
তবে শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মমতা শিবির। এখন নজর আদালতের শুনানির দিকে। শীর্ষ আদালত কমিশনের সিদ্ধান্তে কোনও হস্তক্ষেপ করবে কি না, কিংবা মামলাটি কীভাবে এগোবে—তা এখনও স্পষ্ট নয়।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনের আগে তাই একদিকে ভোটের প্রস্তুতি, অন্যদিকে নাম ও প্রতীক ফিরে পাওয়ার আইনি লড়াই—দুই ফ্রন্টেই চাপের মুখে মমতা শিবির।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







