নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। প্রায় ১ লক্ষ ২২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর আগের জয়ের রেকর্ডও ছাপিয়ে গেলেন তিনি। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে হাসিরানিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন, তাঁকে যে ব্যবধানে জিতিয়েছিলেন, হাসিরানিকে তার থেকেও বেশি ভোটে জেতাতে। সেই আবেদনেই সাড়া দিয়েছেন ভোটাররা বলে দাবি করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে তৃণমূলের প্রার্থী হিসেবে প্রায় ৮১ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার সেই রেকর্ড ভেঙে ১ লক্ষ ২২ হাজার ৭৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন হাসিরানি রথ। নির্বাচন কমিশনের ফল অনুযায়ী, তিনি পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪২৭ ভোট। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান পেয়েছেন ৪১ হাজার ৬৭৪ ভোট।
গণনা শেষ হওয়ার আগেই বড় ব্যবধানে জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছিলেন হাসিরানি। তাঁর বক্তব্যে উঠে এসেছে, শুরু থেকেই তাঁদের লক্ষ্য ছিল বিপুল ব্যবধানে জয়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও শুভেন্দু অধিকারীর উন্নয়নের বার্তা ভোটারদের একাংশের কাছে পৌঁছেছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
এই ফলকে ঘিরে সংখ্যালঘু ভোটারদের সমর্থন নিয়েও রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশ বিজেপির পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে কোন কোন কারণে ভোটাররা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা নির্দিষ্টভাবে বুঝতে ভোটের পরিসংখ্যান ও স্থানীয় রাজনৈতিক পরিস্থিতির আরও বিশ্লেষণ প্রয়োজন।
নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্রেই বিজেপির জয়ের পর রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে উপনির্বাচনের ফলকে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের ফলের পূর্বাভাস হিসেবে দেখা যায় না।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







