পিচরাস্তায় বসছে রেললাইন! তৈরি হচ্ছে দু’টি স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম। আর সেই রেললাইন দিয়েই ছুটবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস! তবে আসল ট্রেন নয়—পুজোর মণ্ডপে তৈরি হচ্ছে বন্দে ভারতের আদলে বিশেষ ট্রেন। আর সেই ট্রেনে চেপেই এবার প্রতিমা দর্শনের অভিনব সুযোগ পাবেন বর্ধমানের দর্শনার্থীরা।
বর্ধমানের সুভাষ অ্যাথলেটিক ক্লাব পরিচালিত অরবিন্দ পল্লী সর্বজনীন দুর্গোৎসবের এবারের থিম—‘বাহন বন্দে ভারত, ভূস্বর্গে মা’। নারী কলোনির ৭৬তম বর্ষের পুজোয় কাশ্মীরের পরিবেশকে তুলে ধরার পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য রাখা হচ্ছে এই অভিনব ট্রেনযাত্রার অভিজ্ঞতা।
পুজো কমিটির সম্পাদক অঙ্কন গুহ জানিয়েছেন, প্রায় ২৫০ মিটার রাস্তার উপর বসানো হবে রেললাইন। সেই লাইনে চলবে বন্দে ভারত ট্রেনের আদলে তৈরি বিশেষ ট্রেন। একটি স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম থাকবে মণ্ডপ থেকে প্রায় ২৫০ মিটার দূরে। আর দ্বিতীয় স্টেশন ও প্ল্যাটফর্ম থাকবে মণ্ডপের সামনে।
দর্শনার্থীরা প্রথম স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠবেন। মোট তিনটি কামরা থাকবে—দুটি জেনারেল এবং একটি ভিআইপি কম্পার্টমেন্ট। এরপর বন্দে ভারতে চেপেই পৌঁছে যাবেন মণ্ডপের সামনে।
ক্লাবের কর্মকর্তা কিংশুক ঘোষের দাবি, ট্রেনটি এমনভাবেই তৈরি করা হচ্ছে যাতে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সঙ্গে তার পার্থক্য সহজে বোঝা না যায়।
শুধু যাত্রাপথেই নয়, মণ্ডপের ভিতরেও থাকছে চমক। কাশ্মীরের বরফে ঢাকা পরিবেশ, অর্থাৎ ‘ভূস্বর্গ’-এর আবহের মধ্যেই হবে দেবীর দর্শন। একচালার প্রতিমাতেও থাকছে বিশেষত্ব।
অর্থাৎ, এবার বর্ধমানে পুজো দেখতে গিয়ে শুধু মণ্ডপে ঢুকে প্রতিমা দর্শন নয়—রেলস্টেশনে পৌঁছে বন্দে ভারতে চেপে ‘ভূস্বর্গে মা’-র দর্শন! দর্শনার্থীদের জন্য সুভাষ অ্যাথলেটিক ক্লাবের এই অভিনব ভাবনা কতটা নজর কাড়ে, এখন সেটাই দেখার।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







