best news portal development company in india

১৮৪ মুক্ত প্রতীক থেকে নতুন চিহ্ন বাছতে হবে মমতা-ঋতব্রতকে! ‘জোড়াফুল’ ছাড়াই উপনির্বাচনে দুই শিবির

SHARE:

এবার ‘জোড়াফুল’ ছাড়াই উপনির্বাচনের ময়দানে নামতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশে দুই গোষ্ঠীকেই ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

এরপরই সামনে এসেছে ১৮৪টি মুক্ত প্রতীকের বিষয়টি। কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, দুই গোষ্ঠীকেই নিজেদের পছন্দের তিনটি করে নাম এবং তিনটি করে মুক্ত প্রতীক জানাতে হবে। সেই তালিকা থেকেই উপনির্বাচনের জন্য পৃথক প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। শুক্রবার সকাল ১১টার মধ্যে পছন্দ জানাতে বলা হয়েছিল।

ফলে এতদিন তৃণমূলের রাজনৈতিক পরিচয়ের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে থাকা জোড়াফুলের বদলে এবার ভোটারদের সামনে দেখা যেতে পারে সম্পূর্ণ অন্য কোনও প্রতীক। নির্বাচন কমিশনের মুক্ত প্রতীকের তালিকায় বিভিন্ন ধরনের দৈনন্দিন ব্যবহারের জিনিস এবং চিহ্ন রয়েছে।

এখন বড় প্রশ্ন—কালীঘাট শিবির কোন তিনটি প্রতীক বেছে নেবে? আর ঋতব্রত শিবিরের পছন্দই বা কী? কারণ ভোটের প্রচারে প্রতীক শুধু ব্যালটের একটি চিহ্ন নয়, প্রার্থীর পরিচয় এবং রাজনৈতিক বার্তা ভোটারের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কেরও নতুন অধ্যায় শুরু হল কমিশনের এই নির্দেশে। ১৯৯৮ সালে দল গঠনের সময় ‘ফুল ও ঘাস’ প্রতীকটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই এঁকেছিলেন বলে তাঁর শিবিরের দাবি। ২৮ বছর পর দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিরোধ এখন পৌঁছেছে নতুন পর্যায়ে।

প্রতীক বিতর্কের সঙ্গে উঠে এসেছে দলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ, নাম এবং দলীয় তহবিলের মতো একাধিক প্রশ্নও। তবে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত আপাতত অন্তর্বর্তী। অর্থাৎ, এখনকার উপনির্বাচনে কোনও পক্ষই জোড়াফুল ব্যবহার করতে পারবে না; ভবিষ্যতে দলের নাম ও প্রতীকের চূড়ান্ত অধিকার নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত আলাদা বিষয়।

তাই আপাতত নজর সেই ১৮৪ মুক্ত প্রতীকের তালিকায়—কোন নতুন নাম আর কোন নতুন চিহ্ন নিয়ে ভোটের মাঠে নামবেন মমতা ও ঋতব্রত, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের বড় প্রশ্ন।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *