best news portal development company in india

উপনির্বাচনের আগে আরও চাপে ঋতব্রত শিবিরের ১০ বিধায়ক! সুপ্রিম কোর্টের পর এবার স্পিকারের নোটিস

SHARE:

উপনির্বাচনের আগে আরও আইনি চাপে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ ১০ তৃণমূল বিধায়ক। একদিকে তাঁদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, অন্যদিকে এবার বিধায়ক পদ খারিজের সম্ভাবনা নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের নোটিস। ফলে ঋতব্রত শিবিরের সামনে নতুন করে তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও আইনি চাপ।

মঙ্গলবার ঋতব্রত-সহ ১০ জন বিধায়ককে নোটিস পাঠিয়েছে রাজ্য বিধানসভার সচিবালয়। সংবিধানের দশম তফসিল অর্থাৎ দলত্যাগ বিরোধী আইনের আওতায় এই নোটিস পাঠানো হয়েছে। কেন তাঁদের বিধায়ক পদ খারিজ করা হবে না, তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। নোটিসের জবাব দেওয়ার জন্য সাত দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

এর ঠিক আগের দিন, সোমবার এই ১০ বিধায়কের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করে মমতাপন্থী তৃণমূল। মামলায় বিধানসভার স্পিকারকেও পক্ষ করা হয়েছে। কেন অভিযোগ ওঠার পরেও ওই বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করা হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে আবেদন করেছেন প্রবীণ তৃণমূল বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

এই তালিকায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও রয়েছেন অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান, রথীন ঘোষ, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান আনসারি এবং শিউলি সাহা।

বিধানসভা সূত্রে খবর, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতেই নোটিস পাঠানো হয়েছে। অভিযোগে দলীয় নির্দেশ অমান্য এবং দলবিরোধী কার্যকলাপের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এখন বড় প্রশ্ন—উপনির্বাচনের আগে এই আইনি প্রক্রিয়া কোন দিকে গড়ায়? সাত দিনের মধ্যে ঋতব্রতরা কী জবাব দেন, নাকি সময়সীমা বাড়ানোর আবেদন করেন—সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি, বিধায়ক পদ খারিজের এই প্রক্রিয়া শেষ পর্যন্ত কী ফল নেয়, তা নিয়েও তৈরি হয়েছে জোর জল্পনা।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *