best news portal development company in india

মমতার ‘পছন্দের’ প্রার্থী সঞ্চিতা দে প্রধান! নন্দীগ্রামের ভোটযুদ্ধে কেন তাঁর উপর ভরসা তৃণমূলের?

SHARE:

নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে সঞ্চিতা দে প্রধানকে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। আর প্রার্থীর নাম ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন—কে এই সঞ্চিতা, যাঁর উপর এত গুরুত্বপূর্ণ আসনে ভরসা রাখল তৃণমূল নেতৃত্ব?

সূত্রের খবর, জেলা স্তরে আলোচনার আগেই রাজ্য নেতৃত্বের তরফে সঞ্চিতার নাম ঘোষণা করা হয়। প্রার্থী ঘোষণার পর নন্দীগ্রামের তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয় তাঁকে নিয়ে খোঁজখবর। কারণ, স্থানীয় রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে কম পরিচিত এই মুখকে হঠাৎ করে উপনির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে নামানো নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে কৌতূহল।

জানা গিয়েছে, নন্দীগ্রামের বয়াল-২ এলাকার বাসিন্দা সঞ্চিতা দে প্রধানের বয়স চল্লিশের কোঠায়। বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার চাকরি বাতিলের সময় তাঁর চাকরিও বাতিল হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি তমলুকে থাকেন।

রাজনীতির ময়দানেও একেবারে নতুন নন সঞ্চিতা। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ছিলেন। ফলে স্থানীয় স্তরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে।

এবার সেই অভিজ্ঞতাকেই নন্দীগ্রামের বড় লড়াইয়ে কাজে লাগাতে চাইছে তৃণমূল। তবে সঞ্চিতাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত কতটা সফল হবে, তার উত্তর মিলবে ভোটের ফলেই।

এই উপনির্বাচনের পিছনে রয়েছে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণও। নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী একটি আসন ছাড়েন। নিজের রাজনৈতিক গড় নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়ায় সেখানে উপনির্বাচন হচ্ছে।

অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের নওদা ও রেজিনগর—এই দুই কেন্দ্র থেকেও জয়ী হয়েছিলেন আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর। ফলে সেই দুই আসনও এখন বিধায়কশূন্য।

নন্দীগ্রাম, নওদা ও রেজিনগরের উপনির্বাচন ঘিরে তাই ইতিমধ্যেই জমে উঠেছে বাংলার রাজনৈতিক লড়াই। আর নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা দে প্রধানকে সামনে রেখে তৃণমূলের কৌশল কতটা সফল হয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *