best news portal development company in india

গসিপ বিক্রি যখন একটা পেশা তখন তা মজার তো হবেই

SHARE:

কথায় আছে চারজন মহিলা এক জায়গায় হলেই ‘গসিপ’ হয়ে ওঠে তাদের মূল আলোচনার বিষয়। কমবেশি সারা বিশ্বেই এই কাজ প্রচলিত। তাইবলে শুধু পরনিন্দা করে বিপুল রোজগার – এমন নিদর্শন বিশেষ নেই। ব্যাপারটা ঠিক কী? কলম্বিয়ার আর্মেনিয়া শহরের বাসিন্দা মিরিয়ম। তাঁর বয়স ৬৭ বছর। চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর বাড়িতে বসে বোর হয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ভাবছিলেন কী করা যায়। ভাবনা চিন্তা করতে করতেই তাঁর মাথায় আসে গসিপ বিক্রির প্ল্যান। আসলে বরাবরই পরনিন্দা-পরচর্চায় বিরাট আগ্রহ মিরিয়মের। তা এলাকার লোকেরাও জানতেন। ফলে কারও হাঁড়ির খবর দরকার পড়লে সকলেই সটান হাজির হতেন তাঁর কাছে। আর এই সুযোগকেই কাজে লাগান মিরিয়ম। একটি সাক্ষাৎকারে জানান, ব্যবসা শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তিনি সকলে জানিয়েদেন আগের মতোই গোপন খবর মিলবে তাঁর কাছে। তবে তার জন্য গুনতে হবে টাকা। তাতে রাজিও হয়ে যান সকলেই। গোপন খবর পেয়ে টাকা নিয়ে সকলেই হাজির হন মিরিয়মের কাছে। ব্যস, এতেই কেল্লাফতে। গুরুত্ব অনুযায়ী গসিপ পিছু ৫০০০ থেকে ১০০০০ পেসো (কলম্বিয়ান মুদ্রা) নেন তিনি। ভারতীয় টাকায় যা ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা।

কীভাবে এত তথ্য জোগাড় করেন মিরিয়ম? বৃদ্ধা জানান, তিনি যেখানেই যান সঙ্গে থাকে নোটবুক। আড়ি পেতে যা শুনতে পান তা লিখে নেন। পরে সুযোগ মতো চড়া দামে তা বিক্রি করে দেন। ব্যস, কয়েকবছর এই ব্যবসা করেই মোটা টাকার মালিক হয়েছেন মিরিয়ম। পরকীয়ার গল্প বিক্রি করে তিনি আয় করেছেন সব থেকে বেশি। সোশাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল মিরিয়মের ব্যবসা।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *