নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে মুসলিম ভোটারদের সমর্থন নিয়ে মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার উপনির্বাচনে জয়ের উদযাপনে ধর্মতলায় আয়োজিত সভা থেকে তাঁর দাবি, বিভাজনের রাজনীতি প্রত্যাখ্যান করে মানুষ এবার রাষ্ট্রবাদের পথকে বেছে নিয়েছেন। ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর কথা বলেছিলেন শুভেন্দু। এবার সেই সমর্থনের কারণও ব্যাখ্যা করলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুসলিমরা ধর্ম পালনের অধিকার হারাবেন—এমন আশঙ্কা তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে সেই প্রচার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি বলেই দাবি তাঁর। শুভেন্দু বলেন, “একটা সম্প্রদায়কে বলা হয়েছিল যে বিজেপি ক্ষমতায় এলে, তাঁরা ধর্ম পালনের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন। তাঁরা দেখেছেন, তাঁরা ভোট না দেওয়া সত্ত্বেও নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে বিজেপির বিজয়রথ আটকানো যায়নি। তাই আজ মূলস্রোতে এসে পশ্চিমবঙ্গের প্রগতির জন্য সবাই একসঙ্গে এক জায়গায় এসেছি।”
এদিনের সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধেও বিভাজনের রাজনীতি করার অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে বাঙালি-অবাঙালি, ভাষা ও জাতের নামে বিভেদ তৈরি করা হয়েছিল। মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যেও অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শুভেন্দুর কথায়, “এসব করে সাময়িক ফল পেয়েছিল, আর আমরা লড়াই করে রাষ্ট্রবাদীদের জয় দেখেছি। মূলস্রোতের বাইরে যারা থাকবে, তারা হারিয়ে যাবে।” সংখ্যালঘু ভোটারদের সমর্থন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







