মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে দিল্লির যন্তর-মন্তরে আন্দোলন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। ১০ অক্টোবরের কর্মসূচির আগে মেট্রো স্টেশন বন্ধ, ট্রেন বাতিল এবং যাতায়াতে বিধিনিষেধ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই পদক্ষেপের ফলে প্রতিবাদে যোগ দিতে চাওয়া সাধারণ মানুষেরও অসুবিধা হচ্ছে। তবে প্রশাসনের বক্তব্য, নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা ঐশীর বক্তব্য, পরিবহণ পরিষেবা বন্ধ করে মানুষের প্রতিবাদের অধিকারকে আটকে রাখা যাবে না। তাঁর আহ্বান, ছাত্রছাত্রী, যুবসমাজ, নাগরিক সমাজ ও সাধারণ মানুষকে গণতন্ত্র এবং ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তাঁর মতে, যাতায়াতে বাধা তৈরি হলেও আন্দোলনের দাবি থেমে থাকবে না।
ঐশীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের মতো একটি স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের নিরপেক্ষভাবে কাজ করা উচিত। কিন্তু মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে তাঁদের প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর দাবি, কমিশনের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকলে কর্তৃপক্ষের উচিত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা। তবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগগুলি এখনও বিতর্কের বিষয়।
এদিকে, আন্দোলনের আগে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মেট্রো পরিষেবায় বিধিনিষেধ, একাধিক ট্রেন বাতিল এবং যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণের জেরে সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। মেট্রো স্টেশন বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়ে সুপ্রিম কোর্টও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অধিকার বিবেচনায় রেখে ব্যবস্থা পর্যালোচনার কথা বলেছে।
এখন নজর, একদিকে নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং অন্যদিকে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, আর কতটা মানুষের অংশগ্রহণে আন্দোলন এগোয়।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







