নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে এবার নতুন জল্পনা। শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রথকেই কি নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী করা হতে পারে? এতদিন অনেকটাই লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা হাসি রথকে ঘিরে এমনই জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।
জানা যাচ্ছে, দীর্ঘদিনের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হাসি রথ। তাঁর দাবি, ১৯৯৮ সাল থেকেই তিনি রাজনীতি করছেন। দু’বার পঞ্চায়েত সদস্য এবং তিনবার পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যও ছিলেন তিনি। এবার দল যদি তাঁকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেয়, তাহলে সেই দায়িত্ব পালন করার জন্য তিনি প্রস্তুত বলেই জানিয়েছেন।
হাসি রথের কথায়, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁদের পরিবারের অভিভাবক। তিনি যদি তাঁকে কোনও গুরুদায়িত্ব দেন, তাহলে তিনি তা মাথা পেতে নেবেন এবং যথাসাধ্য চেষ্টা করবেন দায়িত্ব পালন করার।
তবে হাসি রথকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করার বিষয়ে এখনও বিজেপির তরফে কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা বা সম্মতি মেলেনি। কাঁথির সাংসদ সৌমেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, উপনির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। তাঁর দাবি, যে কোনও মুহূর্তে প্রার্থীর নাম ঘোষণা হতে পারে। পাশাপাশি নন্দীগ্রামে বিজেপি বড় ব্যবধানে জিতবে বলেও আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন তিনি।
৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। তবে রাজনৈতিক নজরের কেন্দ্রবিন্দুতে নন্দীগ্রামই। কারণ, এই কেন্দ্র থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লড়তে পারেন—এমন জল্পনাও ইতিমধ্যে ছড়িয়েছে। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।
এর মধ্যেই ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলের মদন মিত্রদের তরফে বলা হয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম থেকে লড়লে তাঁরা প্রার্থী দেবেন না। ফলে নন্দীগ্রামকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরেও শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা।
আর সেই আবহেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন সৌমেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, মমতা নন্দীগ্রাম থেকে লড়লে তাঁর হারার হ্যাটট্রিক হবে।
তাহলে কি এবার নন্দীগ্রামে বিজেপির মুখ হতে চলেছেন চন্দ্রনাথ রথের মা হাসি রথ? নাকি শেষ মুহূর্তে অন্য কোনও নাম ঘোষণা করবে বিজেপি? উত্তর মিলবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তেই।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







