অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের সরব বিজেপি। রাজ্যে অনুপ্রবেশকে ‘র্যাডিক্যাল অ্যাগ্রেশন’ বলে দাবি করে তা বন্ধ করার ডাক দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিকে ব্যবহার করে অনুপ্রবেশ চলছে। এর আড়ালে জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা ঘাঁটি গাড়ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
শমীকের বক্তব্য, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে আরও বেশি নজরদারি প্রয়োজন। তাঁর অভিযোগ, এই জেলাগুলিকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদীরা যাতায়াত করছে এবং কোথাও কোথাও স্থায়ী ডেরাও তৈরি করছে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় জাল আধার ও প্যান কার্ড তৈরির চক্র সক্রিয় বলেও দাবি করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বারাসত-টাকি রোডের শিমুলতলায় একটি সেবাশিবিরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ‘সাইলেন্ট ডেমোগ্রাফিক ইনভেশন’-এর প্রসঙ্গ তোলেন শমীক। তাঁর দাবি, আশির দশক থেকেই এই জনসংখ্যাগত পরিবর্তন নিয়ে সতর্ক করা হচ্ছে।
এমনকী তিনি অভিযোগ করেন, ‘বিনা যুদ্ধে ভারতবর্ষকে দখল করার চক্রান্ত’ চলছে। যদিও এই বক্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবেই সামনে এসেছে।
বাংলাদেশে মন্দির, ইসকন এবং বাঙালি ঐতিহ্যের উপর হামলার প্রসঙ্গও টেনে আনেন শমীক। উদ্বাস্তু হওয়ার স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি ঐক্যের ডাক দেন।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েও একই অভিযোগে সরব হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর দাবি, সীমান্তবর্তী এই অঞ্চল জাল আধার ও প্যান কার্ড তৈরির ‘হাব’ হয়ে উঠেছে। একইসঙ্গে জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা সীমান্ত জেলাগুলিকে করিডোর হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শমীকের স্পষ্ট বার্তা—অনুপ্রবেশ হোক কিংবা জাল নথি তৈরির কারবার, সবকিছুই যে কোনও মূল্যে বন্ধ করতে হবে।
তবে বিজেপির এই সমস্ত অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা নিয়ে সরকারি তদন্ত বা প্রমাণ সামনে না আসা পর্যন্ত বিষয়টি রাজনৈতিক দাবির পর্যায়েই থাকছে। এখন নজর, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নিরাপত্তা ও নজরদারি নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হয়।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







