সামনেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচন। প্রতীক বিতর্ক কাটিয়ে এবার জোরকদমে প্রচারের পালা। বিজেপি, কংগ্রেস ও বামেরা পথে নেমে প্রচার শুরু করলেও, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রচার ঘিরে উঠছে প্রশ্ন। বিশেষ করে নন্দীগ্রামে দলীয় প্রার্থী এহতেশামুল হকের প্রচার এখনও সেভাবে চোখে পড়ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের একাংশের।
পার্ক সার্কাসের বাসিন্দা এহতেশামুল হককে নন্দীগ্রামে প্রার্থী করেছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির। কিন্তু তাঁর নামে এখনও নন্দীগ্রামে দেওয়াল লিখন, ব্যানার কিংবা ফেস্টুন দেখা যায়নি বলে খবর। বর্তমানে তিনি রয়েছেন হলদিয়ার একটি হোটেলে। হলদি নদী পেরোলেই নন্দীগ্রাম। জলপথে যাতায়াতের দূরত্ব কম হলেও, এখনও এলাকায় গিয়ে প্রচারে নামেননি প্রার্থী।
তবে প্রচারে পিছিয়ে থাকার অভিযোগ মানতে নারাজ এহতেশামুল। তাঁর দাবি, নন্দীগ্রামে জোরদার লড়াই হবে এবং ২০ থেকে ৩০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতবেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, আগামীকাল থেকেই প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়বে দল। গণতান্ত্রিক তৃণমূলের দাবি, নন্দীগ্রামের বহু তৃণমূল কর্মী তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।
কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রও দলের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। তাঁর কথায়, নন্দীগ্রামের অসংখ্য কর্মী তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন।
অন্যদিকে, গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রচার নিয়ে কটাক্ষ করেছে কংগ্রেস। তাদের বক্তব্য, বড় বড় দাবি করলেও ভয়ের কারণে নন্দীগ্রামে ঢুকতে পারছে না ঋতব্রত শিবির। কংগ্রেসের দাবি, নন্দীগ্রামের লড়াই তারা নিজেদের শক্তিতেই লড়বে।
বামেরাও গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে নিশানা করেছে। তাদের অভিযোগ, হোটেলে বসে থাকা প্রার্থী এলাকায় প্রচারে নামতে পারছেন না। বিরোধী ভোট ভাগ করে বিজেপিকে সুবিধা করে দেওয়াই গণতান্ত্রিক তৃণমূলের উদ্দেশ্য বলে কটাক্ষ বামেদের।
সব মিলিয়ে, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে প্রচারের ময়দানে দলগুলির তৎপরতা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তবে গণতান্ত্রিক তৃণমূলের প্রার্থী শেষ পর্
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







