তুরস্কের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও বাড়াতে চাইছে পাকিস্তান। সম্প্রতি পাকিস্তানের দুই গুরুত্বপূর্ণ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তুরস্কের সামরিক বিমানের ঘন ঘন যাতায়াত ঘিরে তৈরি হয়েছে জল্পনা। সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৯ থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে একাধিক তুর্কি C-130 হারকিউলিস বিমান রাওয়ালপিন্ডির নুর খান এবং করাচির মাসরুর এয়ারবেসে যাতায়াত করেছে।
ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এই বিমান চলাচল বেশি ছিল। এর মাধ্যমে পাকিস্তানে ড্রোন এবং ড্রোন-সংক্রান্ত সামরিক সরঞ্জাম পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যদিও এই দাবির এখনও কোনও সরকারি নিশ্চিতকরণ মেলেনি। পাশাপাশি পাকিস্তান তুরস্কের কাছ থেকে HQ সিরিজের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পেতে পারে বলেও জল্পনা রয়েছে।
তুরস্ক ইতিমধ্যেই পাকিস্তানকে Bayraktar TB2-এর মতো ড্রোন সরবরাহ করেছে। মাঝারি উচ্চতায় দীর্ঘ সময় উড়তে সক্ষম এই ড্রোন নজরদারি এবং সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা যায়। পাকিস্তানও ধীরে ধীরে মানবহীন প্রযুক্তি ও ড্রোননির্ভর সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর দিকে এগোচ্ছে বলে বিভিন্ন রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।
পাকিস্তান-তুরস্কের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গত কয়েক বছরে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে। এর পাশাপাশি সৌদি আরবের সঙ্গেও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ছে। ফলে তুরস্ক থেকে নতুন করে ড্রোন বা সামরিক সরঞ্জাম এলে পাকিস্তানের নজরদারি ও মানবহীন যুদ্ধক্ষমতা আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।
তবে তুরস্কের সামরিক বিমানের সাম্প্রতিক যাতায়াতের সঙ্গে ঠিক কী ধরনের সরঞ্জাম পরিবহণের সম্পর্ক রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সরকারি তথ্য সামনে না আসা পর্যন্ত বিষয়টি আপাতত জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







