best news portal development company in india

অবশেষে স্বস্তি! দু’দিন পর হাওড়ার ঘাট থেকে উদ্ধার নিখোঁজ জাতীয় স্তরের শুটার দময়ন্তী সেন

SHARE:

হাওড়া, ১৮ জুলাই ২০২৬: বিগত ৪৮ ঘণ্টা ধরে চলা চরম উৎকণ্ঠার অবসান। অবশেষে হদিশ মিলল বাংলার প্রতিভাবান রাজ্য স্তরের শুটার দময়ন্তী সেনের (১৫)। শনিবার হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। দময়ন্তীর বাবা স্বয়ং মেয়ের ফিরে আসার খবরটি নিশ্চিত করেছেন। আপাতত তাকে সুস্থ শরীরে বাড়ি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তবে জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পাওয়া এই নাবালিকা শুটার গত দু’দিন ফোন ছাড়া একা একা কোথায় এবং কী পরিস্থিতিতে ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কেনাকাটা করতে বেরিয়ে হাওড়া স্টেশন থেকে উধাও

পারিবারিক সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার সকালে সামান্য কিছু কেনাকাটা করার নাম করে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল ১৫ বছর বয়সী দময়ন্তী। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও সে বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা চারদিকে খোঁজখবর শুরু করেন।

নিখোঁজ রহস্যের প্রধান বিবরণসমূহ:

  • হাওড়া স্টেশনে শেষ অবস্থান: পুলিশ ও পরিবারের তদন্তে জানা যায়, বাড়ি থেকে বেরোনোর পর দময়ন্তীকে শেষবার হাওড়া স্টেশনের একটি প্ল্যাটফর্মে দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকেই সে সম্পূর্ণ উধাও হয়ে যায়।

  • মোবাইল ছাড়া নিখোঁজ: সাধারণত এই বয়সের ছেলেমেয়েরা নিখোঁজ হলে টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে পুলিশ দ্রুত হদিশ পায়। কিন্তু দময়ন্তীর ফোনটি বাড়িতে তার বাবার কাছেই ছিল। কোনো যোগাযোগ মাধ্যম না থাকায় পুলিশ ও সাইবার সেলের পক্ষে তাকে ট্রেস করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছিল।

  • সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন: বাংলার এক উদীয়মান ক্রীড়া প্রতিভার এভাবে নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্য ক্রীড়া মহল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তার ছবি দিয়ে খোঁজাখুঁজির ঝড় ওঠে।

ট্রায়ালের সুযোগ ও রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে উদ্ধার

পরিবারের দাবি, দময়ন্তীর নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কোনও পারিবারিক অশান্তি বা অবসাদের কারণ ছিল না। সম্প্রতি সে জাতীয় দলের ট্রায়ালের জন্য কোয়ালিফাই করেছিল। সেই মতো প্রতিদিন ভোরে কড়া অনুশীলনের সূচি থাকত তার। নিখোঁজ হওয়ার আগের রাতেও (বুধবার) ট্রায়ালের উত্তেজনায় সে তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিল।

শনিবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দময়ন্তীর পরিবার ও পুলিশ হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাটে পৌঁছায় এবং সেখান থেকেই তাকে উদ্ধার করা হয়। বাড়ি ফিরে আসায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন তার মা-বাবা ও কোচ। সে স্বেচ্ছায় বাড়ি ছেড়েছিল নাকি এর পেছনে অন্য কোনও মানসিক চাপ বা বাহ্যিক কারণ রয়েছে, তা জানার জন্য পরিবারের পাশাপাশি পুলিশও কাউন্সেলিং-এর মাধ্যমে দময়ন্তীর সঙ্গে কথা বলছে।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *