best news portal development company in india

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিমুখী নীতি: একদিকে ‘শান্তি’র বার্তা, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার মার্কিন সেনা

SHARE:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত ও মন্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে চরম বিভ্রান্তি ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বুধবার সকালে ট্রাম্প দাবি করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-আমেরিকা সংঘাত প্রায় শেষের পথে। কিন্তু তাঁর এই আশাব্যঞ্জক বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পেন্টাগন ওই অঞ্চলে আরও ১০ হাজার অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় ট্রাম্পের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ট্রাম্পের পরস্পরবিরোধী অবস্থান:

  • যুদ্ধ শেষের দাবি: ট্রাম্প সংবাদমাধ্যমকে জানান, “আমরা যুদ্ধ শেষের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছি।” এমনকি ইরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন যে, আমেরিকা চাইলে সব ধ্বংস করে দিতে পারে এবং তা পুনর্গঠন করতে ইরানের ২০ বছর সময় লাগবে।

  • বিপুল সেনা মোতায়েন: ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প যখন শান্তির কথা বলছেন, ঠিক তখনই পেন্টাগন মধ্যপ্রাচ্যে ১০ হাজার নতুন সৈন্য পাঠানোর নির্দেশ জারি করেছে। মূলত হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকায় মার্কিন আধিপত্য বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

প্রেক্ষাপট ও সংকট:

ইসলামাবাদে আয়োজিত প্রথম দফার শান্তি বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই আমেরিকা ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল নিয়েছে। একদিকে হরমুজ প্রণালীতে নৌ-অবরোধ এবং অন্যদিকে সেনা বৃদ্ধি—এই দ্বিমুখী চাপ বজায় রেখে ইরানকে দ্বিতীয় দফার বৈঠকে নতি স্বীকার করানোই ট্রাম্পের লক্ষ্য হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

তবে ট্রাম্পের এই ‘খামখেয়ালি’ আচরণে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোর জ্বালানি আমদানিতে এর বড়সড় নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *