আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে আবারও ‘দাদাগিরি’ শুরু করল ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। ভারতসহ বিভিন্ন দেশের জন্য রাশিয়া ও ইরান থেকে তেল কেনার যে সাময়িক ছাড় (Waiver) দেওয়া হয়েছিল, তা আর পুনর্নবীকরণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেনেট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, গত ১১ এপ্রিল এই ছাড়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং নতুন করে কোনো শিথিলতা দেখানো হবে না।
আমেরিকার কঠোর অবস্থান ও তার প্রভাব:
-
নিষেধাজ্ঞার হুমকি: আমেরিকা সাফ জানিয়েছে, যেসব দেশ বা ব্যাঙ্ক ইরানের তেল কেনাবেচা বা লেনদেনে সাহায্য করবে, তাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে।
-
সংকটে ভারত: গত ৬ মার্চ ভারতকে বিশেষ বিবেচনায় রুশ তেল কেনার জন্য ৩০ দিনের ছাড় দিয়েছিল ওয়াশিংটন। পরে ২০ মার্চ ইরানের তেলের ক্ষেত্রেও একই সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ১১ এপ্রিল সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ায় ভারত এখন গভীর সংকটে।
-
হরমুজ প্রণালী ও তেলের দাম: একদিকে হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌ-অবরোধ এবং অন্যদিকে সস্তায় রুশ ও ইরানি তেল কেনার পথ বন্ধ হওয়া—এই জোড়া ফলায় বিশ্বজুড়ে তেলের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে?
ভারত এতদিন এই দুই দেশ থেকে সস্তায় তেল কিনে নিজের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাচ্ছিল। আমেরিকার এই অনমনীয় মনোভাবের ফলে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা এখন বড় প্রশ্নের মুখে। নয়াদিল্লি কি আমেরিকার এই ‘নির্দেশ’ মেনে নেবে, নাকি জাতীয় স্বার্থে বিকল্প কোনো পথে হাঁটবে, তা নিয়ে দক্ষিণ ব্লকে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শুরু হয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







