best news portal development company in india

স্কুল সংষ্কার অভিযানে ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” এর জেলা নেতৃত্ব ও পাঁচলা ব্লক, সঙ্গে পাঁচলা বি ডি ও

SHARE:

অভিজিৎ হাজরা,পাঁচলা, হাওড়া :-

” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসঙ্ঘের ” হাওড়া জেলার কেন্দ্রীয় কমিটি ও পাঁচলা ব্লক যৌথ উদ্যোগে, পাঁচলা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসারের কাছে স্কুল সংক্রান্ত একগুচ্ছ সংস্কার অভিযোগ লিখিত ভাবে জমা দিলেন।
লিখিত দাবি পত্রে উল্লেখ করা হয়,বিগত দিনে স্বেচ্ছাচারী শাসনকে কব্জাগত করে স্বেচ্ছাচারী এ এইচ এম কাম টি আই সি অন্যান্য সহ শিক্ষক – শিক্ষিকাদের মান – সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েছেন। তাদের টি আই সি দাসানুদাসে পরিণত করেছে এবং সেই রাজনৈতিক রক্তচক্ষু, হুইপ জারী ব্যবহার করে বি ডি ও এবং এস আই অধিকারীদের মাধ্যমে পঞ্চায়েত সমিতি নীতিবহির্ভূত বায়োমেট্রিক অ্যাটেন্ডডেন্স জারী করে শৃঙ্খলার নামে রাজনৈতিক তোষণ এবং স্কুলের মধ্যে শিক্ষক – শিক্ষিকারা যাতে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে না পারে তার জন্য ট্রান্সফারের চরম ভীতি,লেট প্রেজেন্ট দেখিয়ে স্যালারি কেটে নেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দিয়ে রেখেছেন – এই অবস্থায় সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাদের দাবি – (১) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরের কেন্দ্রীয় ভাবে জারী করা নীতির বাইরে শৃঙ্খলার নামে মানসিক নির্যাতনকারী রাজনৈতিক নজরদারি চালানো, পঞ্চায়েত সমিতির এক্তিয়ার বহির্ভূত বায়োমেট্রিক অ্যাটেন্ডডেন্স বাতিল করা – (২) আমাদের ব্যক্তিগত জীবনে নজরদারি চালানো অডিও, ভিডিও ক্যামেরা স্টাফরুম থেকে ১ লা জুনের মধ্যে খুলে ফেলা – (৩) স্বেচ্ছাচারী ও স্বৈরাচারী তোষণ মদতে সাহায্যকারী শিখণ্ডী টি আই সি – কে বরখাস্ত করা।ঐ টি আই সি – র অধীনে আমরা আর এক মুহূর্তের জন্য ও কাজ করতে রাজী নই – (৪) এ এইচ এম কাম টি আই সি একই ব্যক্তিকে না রেখে পৃথক পদ পৃথক ব্যক্তি সৃষ্টি করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, তার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পেতে আর্জি জানাচ্ছি – (৫) এক্ষুণি মিড – ডে – মিল ও ছাত্রাবাসের হিসাব নিকেশের খাতা লক অ্যান্ড কি করা – (৬) আল আমিন সেন্টারের শিক্ষার্থীদের নিয়ম বহির্ভূত ভর্তির হিসাব নেওয়া – (৭) যতদিন না এই সকল দাবি পূরণ হচ্ছে ততদিন অ্যাডমিনিস্ট্রেটর যেন সকল স্কুলে উপস্থিত আমাদের সংগঠনিক প্রতিনিধিকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করেন – (৮) শিক্ষার্থীরা যাতে স্কুল পরিবেশের মধ্যে ইউনিফর্মের বাইরে হিজাব বা বোরখা পরে না আসে সে বিষয়ে স্কুলকে জরুরী নোটিশ করেন – (৯) স্কুল আওর্সে শিক্ষকরা বিদ্যালয় চত্বরের খোলা পরিবেশে ধূমপানের মতো তথাকথিত ধর্মীয় প্রার্থনা বা নামাজ না পড়ে অথবা শিক্ষার্থীদের পঠন -পাঠনের সময় কেটে নিকটস্থ উপাসনালয়ে গিয়ে প্রার্থনা বা নামাজ পড়ে শিক্ষার্থীদের প্রলুব্ধ না করে , সেই ব্যাপারে ও নোটিশ জারি করা -র ।
শিক্ষাঙ্গনকে বিগতদিনের স্বৈরাচারী ও স্বেচ্ছাচারী তোষন নির্ভর বোধিরতা থেকে মুক্ত করতে তাদের দেওয়া অভিযোগগুলো অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বলে তিনি মন্তব্য করেছেন পাঁচলা ব্লক ডেভেলপমেন্ট অফিসার। তিনি বলেছেন, ‘ শিক্ষাদপ্তরের অর্ডার বিহীন যে কোনো আঞ্চলিক সিদ্ধান্ত (তার মধ্যে যত ভালো দিকই থাক না কেন) ক্ষুদ্র পরিসরের বিদ্যালয় ক্ষেত্রে লাগু করা ঘোরতর অন্যায়।

কাজেই বিদ্যালয়ের শিক্ষক – শিক্ষিকাদের প্রতিবাদী কণ্ঠ রোধ করতে পাঁচলা পঞ্চায়েত সমিতির নজরদারি চালানো ক্যামেরা ও বায়োমেট্রিক অ্যাটেনডেন্স যে শাসক ও শিখণ্ডী টি আই সি/এ এইচ এমদের তোষন নির্ভর শাসন যন্ত্র তা স্বীকার করে নিলেন।
এবং সরকারের অর্ডার ভিত্তিক নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত ১লা জুন ২০২৬ থেকে ঐ গোয়ার্তুমি যাতে না বহাল থাকে তা তিনি পর্যালোচনা করবেন বলেও জানিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাদের দাবীতে অনড়। সম্পাদক মিণ্টু চক্রবর্তী ও কার্যকরী সদস্য গৌরব দাস জানিয়েছেন, ১লা জুন থেকেই তারা স্টাফরুমের নজরদারি ক্যামেরা খুলতে বলবে এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বায়োমেট্রি অ্যাটেনডেন্স দেবে না। এবং বলেছেন, তার মানে এই নয় যে কেউ দেরিতে ঢুকবে আগে চলে যাবে। আর তারা চুপ বসে থাকবে, এমনটিও নয়।
কেন্দ্রীয় সম্পাদক ড:সচ্চিদানন্দ দাস বলেছেন, ” শিক্ষক মহাশয় গণ আচার্য তুল্য। তারা শিক্ষার্থীদের দেবতাজ্ঞানে সেবা দিতেই আসেন। কাজেই দু একজন অবিমিশ্রকারীর জন্য সমগ্র শিক্ষক কূলকে চালুনিতে ফেলা ঠিক নয়। ” তিনি সকল স্কুলের ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” – র সদস্য সদস্যা ও অন্যান্য সকল সম্মানীয়দের কাছে এই জঘন্য তোষন চক্রান্ত ভেঙে দেবার আহ্বান জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে নীতি প্রণয়ন যাতে দ্রুত হয় তা দেখভালের কথা বলেছেন।

সেই সঙ্গে স্টাফেদের সর্ব সম্মতিক্রমে নতুন টি আই সি ঠিক করে তাকে কার্যভার গ্রহনের দাবী তুলতে বলেছেন। অভিযোগ গুলোর সঙ্গে তাদের অভিযোগও যুক্ত করে তদন্তের দাবী তুলুতে বলেছেন।
এই চক্রের অবসান ঘটিয়ে, বিগত দিনের দাসানুদাস হয়ে থাকার বদল ঘটানোর ডাক দিয়ে উক্ত অভিযোগের কপি শিক্ষাদপ্তরের সর্বত্র ফরওয়ার্ড হচ্ছে বলে পাঁচলা নর্থের প্রমুখ স্বপন নাথ জানিয়েছেন।
সেইসঙ্গে স্বয়ং সেবকসঙ্ঘের মুখ্য কার্যকর্তা শিক্ষক অভিলাষ ঘোষ জানিয়েছেন, ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” আপনাদের সঙ্গে আছে। সঙ্গে থাকছে।রাজনীতি মুক্ত শিক্ষাঙ্গন গড়তে আইনি পরামর্শের জন্যে ” অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈখিক মহাসঙ্ঘ ” এর সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। একত্র হউন।”
সকল অভ্যাগতদের ভারতমাতার জয়ধ্বনিতে মুখর হয়ে ওঠে পাঁচলা সমষ্টি উন্নয়ন দফতর।

Supravat Bangla
Author: Supravat Bangla

PRGI Approved - WBBEN/25/A1519

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *