দুর্গাপুর, ১০ নভেম্বরঃ জ্যোতি বসুরা গনতন্ত্র বাড়িয়েছিলেন। এরা ( তৃণমূল) গনতন্ত্রকে কমাতে কমাতে স্বৈরাচারীর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। সেটা যাতে প্রতিষ্ঠিত হয় সে কারণে সরকারি উর্দিতে একরকম গুন্ডা রেখেছে, আর এক ধরনের গুন্ডা ভোটের দিন ছেড়ে রাখে। বিনা পোশাকে এই গুন্ডাদের রাখা হয়েছে। যারা গনতন্ত্র সংকুচিত করেছে, যারা গুন্ডারাজ চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন মানুষ একত্রিত হচ্ছেন। দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রশাসক মন্ডলীর ৩ সদস্যকে অপসারন প্রসঙ্গে সোমবার এইভাবেই কটাক্ষ করলেন সিপিএমের রাজ্য নেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, এখন সাধারণ মানুষ পুর পরিসেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করছেন। আমরা নই।
সোমবার দুর্গাপুর নগর নিগমের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে সিপিএম। মুলত নগর নিগমের বেহাল পরিষেবা, সময় উত্তীর্ন হয়ে যাওয়ার পরেও ভোট না হওয়া সহ বেশ কিছু ইস্যুতে ছিলো এদিনের বিক্ষোভ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা সম্পাদক গৌরাঙ্গ চট্টোপাধ্যায়, প্রাক্তন বিধায়ক বিপ্রেন্দু চক্রবর্তী সহ সিপিএমের নেতা, কর্মী ও সমরর্থকরা। মঞ্চ থেকে শাসক দল তৃণমূলকে এক হাত নেন সিপিএমের নেত্রী মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায় । এদিন সিপিএমের পক্ষ থেকে নগর নিগমে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
পরে সিপিএম নেত্রী বলেন, আমরা কোন রাজনৈতিক দলের কাছে আসিনি। এসেছি মানুষের জন্য তৈরী একটি কার্যালয়ে মানুষের পরিষেবার দাবি নিয়ে এসেছি। যারা সরকারী ভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কাজের জন্য তাদের কাছে আমরা এসেছি।
এসআইআর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বৈধ কোন ভোটার বাদ দেওয়া যাবে না। তারজন্য বুথে বুথে আমাদের কমরেডরা সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে ও দলের বিএলএরা কাজ করছেন। কিন্তু ডবল এন্ট্রি, মৃত ভোটার, ভুয়ো ভোটার, সিফটেড ভোটার বাদ দেওয়া সারা বছরের কাজ। এটা সারা বছরের কাজ। এখন এসআইআর যখন হচ্ছে, তখন তা হবে। কিন্তু এসআইআরের নামে ঘুরপথে নাগরিকত্ব যাচাই করার কোন অধিকার নির্বাচন কমিশন বা বিজেপি এবং তৃণমূলকে সামনে রেখে রাজনীতির খেলা খেলতে দেওয়া যাবে না। এটা একটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এটা নির্বাচন কমিশনের করার কথা প্রতি বছর। এর জন্য টাকা দেওয়া হয়। তার জন্য লোক দেওয়া হয়। সেই কাজে মানুষকে ভয়, ভীতি ও আতঙ্কগ্রস্থ করে নিয়ে, তোমার ভিটেমাটি চলে যাবে। একটা ভোটার তালিকা ঠিক করার জন্য। সেটা যদি কেউ রাজনৈতিক ভাবে করতে চায়, তার আগে যারা পাঁচিল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে, তারা হলো লালঝাণ্ডা। এই কাজ আমরা ইতিমধ্যেই শুরু করেছি।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







