তৃণমূলের অন্দরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের মধ্যে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের আবহে ফের সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকারের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজের আবেদনে স্পিকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শোভনদেব। আগামী সপ্তাহে এই মামলার শুনানি হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ মোট দশজন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের দাবি জানিয়ে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি লিখেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। ওই তালিকায় রয়েছেন অরূপ রায়, ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, আখরুজ্জামান, শিউলি সাহা, সাবিনা ইয়াসমিন, বিপ্লব মিত্র, জাভেদ খান এবং রথীন ঘোষ। গত ৮ জুলাই স্পিকারের কাছে এই আবেদন জানানো হয়েছিল।
কিন্তু ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। সেই কারণেই স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন শোভনদেব। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ জানিয়েছিল, ২০২০ সালের একটি রায় অনুযায়ী, কোনও বিধায়কের সদস্যপদ খারিজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সাংবিধানিক ক্ষমতা বিধানসভার স্পিকারের হাতে রয়েছে। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য স্পিকারকে উপযুক্ত সময় দিতে হবে। সাধারণত তিন মাসের মধ্যে এ ধরনের আবেদনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। এখন শীর্ষ আদালত এই মামলায় কী অবস্থান নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







