দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের FZ1073 বিমানের ককপিটে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের ওই ঘটনায় ভারতীয় ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছরকে তাঁর সহ-পাইলট আক্রমণ করেন বলে ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষের দাবি। বিমানে প্রায় ১৭৪ জন যাত্রী ছিলেন। ককপিটে সংঘর্ষের পর বিমানটি দ্রুত প্রায় ১৪ হাজার ফুট নেমে যায় এবং শেষ পর্যন্ত সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘটনাটিকে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেছেন, সহ-পাইলট বিমানটি ভেঙে ফেলার চেষ্টা করে থাকতে পারেন। তবে হামলার উদ্দেশ্য এবং এর পিছনে কোনও সংগঠিত চক্র ছিল কি না, তা এখনও তদন্তাধীন। UAE-র তরফেও ঘটনাটির সঙ্গে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঘটনার পরেই প্রশ্ন উঠেছে, এর পিছনে কি ইরানের কোনও যোগ রয়েছে? পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সেই প্রশ্ন আরও গুরুত্ব পেয়েছে। তবে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগও জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে এই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা বলার মতো পর্যাপ্ত তথ্য এখনও নেই। ফলে এই মুহূর্তে ইরানকে হামলার নেপথ্যে দায়ী করার মতো কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।
অন্যদিকে, গুরুতর আহত হওয়া সত্ত্বেও ক্যাপ্টেন স্মিত মচ্ছর ককপিটের দরজা খুলে দিতে সক্ষম হন বলে জানা গিয়েছে। এরপর যাত্রী ও অন্য ক্রুরা হামলাকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনেন এবং বিমানের নিয়ন্ত্রণ ফের নেওয়া হয়। ভারতীয় এই পাইলটের সাহসিকতার প্রশংসা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী-সহ একাধিক রাষ্ট্রনেতা। এখন তদন্তকারীদের সামনে মূল প্রশ্ন—হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল, অভিযুক্ত একাই কাজ করেছিলেন কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র ছিল কি না।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







