জিটি রোড-সহ বাস চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ রুটে টোটো ও ই-রিকশার অবাধ চলাচল বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের পথে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর। নিষিদ্ধ রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধে রাজ্য পুলিশের ডিজি-কে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন পরিবহণ দপ্তরের প্রধান সচিব রবি ইন্দর সিং। নির্দেশিকা কার্যকর করতে জেলায় জেলায় পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।
পরিবহণ দপ্তরের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৪ সালের কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা অনুযায়ী, ই-রিকশা বা টোটো মূলত ‘লাস্ট মাইল কানেক্টিভিটি’, অর্থাৎ স্বল্প দূরত্বের যাতায়াতের জন্য ব্যবহারের কথা। ২০১৬ সালে রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের নির্দেশেও নির্দিষ্ট স্থানীয় রাস্তায় টোটো চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় টোটো চলাচলের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।
কিন্তু পরিবহণ দপ্তরের কাছে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে, নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও একাধিক জেলায় জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চলাচল করছে। বিশেষ করে জিটি রোডের মতো ব্যস্ত রাস্তায় টোটো যাত্রী নিয়ে চলাচল করায় যানজট তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি, দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে টোটোর চলাচল দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়াচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে আগের নির্দেশিকা কঠোরভাবে কার্যকর করার উপর জোর দিয়েছে দপ্তর।
জিটি রোড রাজ্য সড়কের আওতায় পড়ায় সেখানে টোটো চলাচল বন্ধের বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। নিষিদ্ধ রাস্তায় টোটো চলাচল বন্ধ করতে পুলিশকে নজরদারি বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অমান্য করলে মোটর ভেহিকলস অ্যাক্ট, ১৯৮৮ এবং সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
পরিবহণ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় ও রাজ্য সড়কে টোটো চলাচল নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ আগেও নেওয়া হয়েছিল। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এবার নির্দেশিকা বাস্তবায়নে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানোর উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
তবে কোন কোন নির্দিষ্ট বাসরুটে টোটো চলাচল বন্ধ হবে এবং নির্দেশ কার্যকর করার পদ্ধতি কী হবে, তা সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নির্দেশিকা ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার উপর নির্ভর করবে। ফলে নতুন নির্দেশের পর জেলায় জেলায় টোটো চলাচল ও যান
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







