নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে যখন রাজ্য রাজনীতিতে একের পর এক নাটকীয় মোড়, তখন যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা। তাঁর বক্তব্য, যারা শক্তিশালী, যারা যোগ্য এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করবেন, তাঁদেরই জয় হওয়া উচিত। তবে কি বিজেপির প্রতি নরম হচ্ছেন সায়নী? নাকি তাঁর মন্তব্যের অন্য কোনও রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে?
তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ফ্রিজ হওয়ার প্রসঙ্গে সায়নী বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত উচ্চমানের নেত্রী। এর আগেও বহু সংকট থেকে তিনি বেরিয়ে এসেছেন, এবারও পারবেন। তবে প্রতীক নিয়ে ভোটারদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে বলেও মনে করছেন তিনি।
আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন। সেই ভোট প্রসঙ্গে সায়নীর মন্তব্য, মানুষ বিজেপিকে সরকারে এনেছে। বিজেপি একটি সুসংগঠিত দল হিসেবে নিজেদের মতো করে কাজ করছে। তাঁর মতে, যারা মাঠে থাকবে, মানুষের পাশে দাঁড়াবে এবং কাজ করবে, মানুষের সমর্থন তাদেরই পাওয়া উচিত।
এদিকে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের সমীকরণও ক্রমশ জটিল হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এরপর কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা। কিন্তু তার পরেই পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান।
এই পরিস্থিতিতে সায়নী ঘোষের মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে তাঁর বক্তব্যে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কোনও ঘোষণা নেই। ফলে আপাতত দলবদলের জল্পনা নয়, বরং নন্দীগ্রামের ভোট ও তৃণমূলের প্রতীক-সংকট নিয়ে তাঁর মন্তব্যই থাকছে চর্চার কেন্দ্রে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







