পুজোর আগে বড়সড় ভোগান্তির আশঙ্কা! আজ, শুক্রবার একদিনের ব্যাংক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। এরপর শনিবার ও রবিবার এমনিতেই সাপ্তাহিক ছুটি। ফলে শুক্রবারের ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি মিলিয়ে টানা তিন দিন ব্যাংকের স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
সপ্তাহে পাঁচ দিন কর্মদিবসের দাবিতে এই একদিনের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে অল ইন্ডিয়া ব্যাঙ্ক অফিসার্স কনফেডারেশন বা এআইবিওসি। সংগঠনের দাবি, ২০২৪ সালের বেতন সংশোধনের সময় পাঁচ দিনের কর্মদিবস চালুর বিষয়ে লিখিত চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে গেলেও সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়নি।
এআইবিওসি-র রাজ্য সম্পাদক শুভজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ, বারবার আইনি জটিলতার কথা বলে সময় চাওয়া হয়েছে। দীর্ঘ অপেক্ষার পরও দাবি পূরণ না হওয়ায় এবার ধর্মঘটের পথ বেছে নিয়েছেন ব্যাংক অফিসাররা।
এর ফলে আজ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পাশাপাশি একাধিক বেসরকারি ব্যাংকের পরিষেবাতেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ শুধু সরকারি ব্যাংক নয়, বেশ কিছু বেসরকারি ব্যাংকের অফিসারও এই সংগঠনের সদস্য।
সবচেয়ে বেশি চিন্তার বিষয় ATM পরিষেবা ও জরুরি লেনদেন নিয়ে। ব্যাংকের শাখা বন্ধ থাকার পাশাপাশি নগদ টাকা তোলা, চেক সংক্রান্ত পরিষেবা-সহ কিছু ব্যাংকিং পরিষেবায় প্রভাব পড়তে পারে। তবে সব ATM যে বন্ধ থাকবে, এমনটা নয়। ATM-এ নগদের জোগান ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পরিষেবার উপর পরিস্থিতি নির্ভর করবে।
এদিকে, আজকের ধর্মঘটের পরও দাবি পূরণ না হলে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে এআইবিওসি। সংগঠনের দাবি, আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিনের ধর্মঘটে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। তাতেও সমাধান না হলে ২৬ অক্টোবর থেকে লাগাতার ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
পুজোর মুখে টানা তিন দিন ব্যাংকের স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় গ্রাহকরা। বিশেষ করে জরুরি ব্যাংকিং কাজ থাকলে আগেভাগে প্রয়োজনীয় লেনদেন সেরে রাখাই নিরাপদ।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







