উল্টো রথের দিন একাধিক ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারই মধ্যে ভবানীপুরের উৎকল সমাজের রথযাত্রার অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে সংগঠনের সদস্যদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে নিজের জয়ের প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার উৎকল সমাজ তাঁর পাশে ছিল এবং তাঁদের সমর্থনের জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।
শুক্রবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচি ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। দিনের শুরুতে ভবানীপুরে জগন্নাথদেবের মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন তিনি। নিজের হাতে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার আরতি করেন। মন্দিরের সেবাইতরা তাঁকে ঐতিহ্যবাহী লাল-সাদা পাগড়ি পরিয়ে সংবর্ধনাও জানান।
এরপর সন্ধ্যায় ভবানীপুরের উৎকল সমাজের উল্টো রথের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি যে ভবানীপুরে জিতেছি, তার জন্য উৎকল সমাজের কাছে কৃতজ্ঞ। ওঁরা আমাকে একশোয় একশো সমর্থন দিয়েছেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে আমার বরাবরই খুব ভালো সম্পর্ক। বিভিন্ন উৎসব-অনুষ্ঠানে আমরা একে অপরের শুভেচ্ছা বিনিময় করি। আজ এখানে এসে সত্যিই ভালো লাগছে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে উল্টো রথের শুভেচ্ছাও জানান মুখ্যমন্ত্রী।
এদিনের সভা থেকে দিঘার জগন্নাথধাম নিয়েও পূর্ববর্তী রাজ্য সরকারকে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, “পুরীধাম একটিই। যেখানে-সেখানে জগন্নাথ মন্দির তৈরি করে তার নাম ‘জগন্নাথধাম’ রাখা যায় না। এ ধরনের বিষয়ে উৎকল সমাজের বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সেই পরামর্শ ছাড়াই আগের সরকার দিঘায় ‘জগন্নাথধাম’ তৈরি করেছিল, যা ঠিক হয়নি।”
উল্টো রথের দিন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি ভবানীপুরের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর এই সফরকে ঘিরে এলাকায় উৎসবের আবহ লক্ষ্য করা যায়।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







