প্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে একের পর এক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার বিদ্যুৎ চুরি ও বকেয়া বিল আদায়ের ক্ষেত্রে কড়া অবস্থান নিল রাজ্য সরকার। বিদ্যুৎমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, বিদ্যুতের হুকিং কিংবা বকেয়া বিল— কোনও ক্ষেত্রেই ছাড় দেওয়া হবে না।
বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিকদের উদ্দেশে তাঁর স্পষ্ট নির্দেশ, “হুকিং জিরো।” তিনি বলেন, কেউ বিদ্যুৎ চুরি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে সঙ্গে সঙ্গেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। এমনকি কোনও বিজেপি নেতা বা পরিচিত ব্যক্তির তরফে ফোন এলেও তা আমল না দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, “লাইন কাটতে থাকুন। বকেয়া বিল জিরো টলারেন্স, যেভাবে পারেন আদায় করুন।” একইসঙ্গে তিনি দাবি করেন, “সব থেকে বেশি ফাঁকি দিচ্ছে নেতাদের প্রতিষ্ঠান। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পরে দু’জায়গায় লাইন কেটেছি।”
দলমত নির্বিশেষে বিদ্যুৎ চুরি বন্ধ করার বার্তাও দেন বিদ্যুৎমন্ত্রী। তিনি জানান, পূর্ব মেদিনীপুরের এক জেলা সভাপতির কাজু কারখানা এবং মালদহের এক জেলা সভাপতির বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের বিল বকেয়া ছিল। বিদ্যুৎ দফতরের কর্মীরা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে গেলে বিষয়টি তাঁর নজরে আসে। এরপর তিনি নিজেই লাইন কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেন। শুভেন্দুর দাবি, “ওরা বলছে, অরূপদার সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছে। তারপর আমি আদায় করেছি।”
তবে সাধারণ গ্রাহকদের ক্ষেত্রে কিছুটা নমনীয় অবস্থানের কথাও জানান বিদ্যুৎমন্ত্রী। তাঁর নির্দেশ, সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার আগে গ্রাহককে নোটিস দিতে হবে, বিষয়টি জানাতে হবে এবং অতীতের বিল পরিশোধের রেকর্ডও খতিয়ে দেখতে হবে। তারপরই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর কথায়, “সব সময় যে তিনি দেবেন না, এমনটা নয়।”
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







