রাজ্যে রাজনৈতিক সমীকরণ বদলের আবহে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করতে বছরভর একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করল প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল তিনটি শিবিরে বিভক্ত হওয়ায় কর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে দাবি কংগ্রেসের। সেই পরিস্থিতিতে নিজেদের সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করে সামনের সারিতে ফিরতে চায় হাত শিবির।
একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে একাধিক কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। তিনি জানান, আগামী ১৫ জানুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে একটি দিন ঠিক করে ব্রিগেড সমাবেশ করা হবে। সেই সমাবেশে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী উপস্থিত থাকবেন বলেও জানান শুভঙ্কর। পাশাপাশি সারা বছর ধরে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধারাবাহিক রাজনৈতিক কর্মসূচি চালানোর কথাও ঘোষণা করেন তিনি।
শুভঙ্করের ঘোষণা অনুযায়ী, ৮ থেকে ১৪ আগস্ট শ্যামাপ্রসাদের বিশ্বাসঘাতকতার প্রতিবাদে রাজ্যজুড়ে পথসভা করবেন কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা। একইসঙ্গে ভারত ছাড়ো আন্দোলনের কর্মসূচিও পালন করা হবে। ৯ আগস্ট দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর ‘ছাত্র কি গুঞ্জ’ কর্মসূচিতে যোগ দেবেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা।
এছাড়া ১৪ আগস্ট রাত ১২টায় শ্রদ্ধানন্দ পার্কে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। ১৫ আগস্ট রাজ্যের প্রতিটি ব্লকে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি পালন করবে কংগ্রেস। ২৮ আগস্ট মহাজাতি সদনে পালিত হবে ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবস।
সম্প্রতি রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য নাম না করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তারও প্রতিবাদে সরব হতে চলেছে কংগ্রেস। ২৩ জানুয়ারি প্রতিটি ব্লকে ধিক্কার কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ৩০ জানুয়ারি বেলেঘাটার গান্ধী ভবনে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন কর্মসূচি পালন করবে প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্ব।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







