মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এক বড়সড় কূটনৈতিক সাফল্যের দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দীর্ঘ ৩৪ বছর পর মার্কিন মধ্যস্থতায় অবশেষে সরাসরি শান্তি বৈঠকে বসতে রাজি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এই ঐতিহাসিক বৈঠক হওয়ার কথা। গতকাল নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই ঘোষণা দিয়ে ট্রাম্প জানান, সংঘাত প্রশমনে দুই দেশই ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে।
বৈঠকের প্রধান দিক ও প্রেক্ষাপট:
-
১০ দিনের যুদ্ধবিরতি: শান্তি আলোচনার পথ প্রশস্ত করতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে ১০ দিনের একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। যদিও লেবাননের সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে যে, দক্ষিণ লেবাননের কিছু গ্রামে ইজরায়েলি বাহিনী এই বিরতি লঙ্ঘন করে গোলাবর্ষণ করেছে।
-
লেবাননের প্রত্যাশা: লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন এই বৈঠক নিয়ে অত্যন্ত আশাবাদী। তাঁর মতে, এর মাধ্যমে দক্ষিণ লেবাননের সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের অবসান হতে পারে। লেবানন চাইছে তাদের আন্তর্জাতিক সীমানায় সেনাবাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাক।
-
হেজবোল্লার বিরোধিতা: শান্তি প্রক্রিয়ার এই উদ্যোগকে মোটেও ভালো চোখে দেখছে না সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবোল্লা। সংগঠনের নেতা নাঈম কাসেম এই আলোচনাকে ‘নতিস্বীকার’ বলে অভিহিত করেছেন। এমনকি তারা আলোচনার বিরোধিতা করে উত্তর ইজরায়েলে রকেট হামলাও চালিয়েছে।
-
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: ১৯৪৮ সালে ইজরায়েল রাষ্ট্রের জন্মের পর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক ছিল বৈরী। ১৯৮৩ সালের পর এই প্রথম দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা সরাসরি আলোচনায় বসছেন, যা বিশ্ব রাজনীতির জন্য একটি বড় খবর।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







