‘বড় চোর’ কে? সরাসরি কোনও নাম না করলেও, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেই কি বড়সড় ইঙ্গিত দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী? শুক্রবার বারুইপুরের সভা থেকে তাঁর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক জল্পনা। শুভেন্দু বলেন, “বড় চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন। আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? বড় চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য, ধৈর্য ধরি।”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত একাধিক নেতার গ্রেফতারির প্রসঙ্গ টেনেই এই মন্তব্য বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। সম্প্রতি সেই তালিকায় ইন্দ্রনীল সেন ও অজিত মাহাতোর নাম যুক্ত হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরেও রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে।
এদিন বাম-তৃণমূলের সম্ভাব্য রাজনৈতিক সমীকরণ নিয়েও কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। তাঁর মন্তব্য, সিপিএম ও তৃণমূল এখন এক হয়ে গিয়েছে। ব্যঙ্গ করে বলেন, “বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তাঁর দাবি, সাহস থাকলে লড়াইয়ে নামুন, আবারও তাঁকে হারানো হবে।
শুভেন্দুর আরও কটাক্ষ, কলকাতায় না থেকে দিল্লিতে গিয়ে লাভ হবে না; পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের আর কিছু হওয়ার নেই। উল্লেখ্য, জ্ঞানেশ কুমার ইস্যু এবং দিল্লির বিভিন্ন প্রতিবাদ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও সিপিএমের একাংশের অবস্থানে মিল দেখা গিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটেই এম এ বেবির সঙ্গে মমতার চা খাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও নাম না করে ‘ডিজে’ প্রসঙ্গে আক্রমণ করেন শুভেন্দু। পাল্টা রাজনৈতিক বক্তব্যে অভিষেক রাজ্যের গণতান্ত্রিক কাঠামো ও নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ফলে ‘বড় চোর’ মন্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘাত তীব্র হয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







