মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ের বার্তার পরেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় থানায় থানায় কালীপুজোর প্রস্তুতি ঘিরে তৎপরতা শুরু হয়েছে। বুধবার বীরভূমে জেলা পুলিশের বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চ থেকে উচ্চশিক্ষামন্ত্রী থানাগুলিতে বড় করে কালীপুজোর আয়োজনের আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, কালীপুজো পুলিশের সংস্কৃতির অঙ্গ এবং প্রতিটি থানায় কালীমন্দির স্থাপন করা উচিত। এরপরই মুর্শিদাবাদ-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় পুজোর প্রস্তুতি জোরদার হয়েছে বলে খবর।
মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন থানায় দীর্ঘদিন ধরেই থানা চত্বরে বা আশপাশে কালীমন্দির রয়েছে। এতদিন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে পুজোর আয়োজন করা হতো। থানার আধিকারিকরা সেই আয়োজনে সহযোগিতা করলেও পুজোগুলি মূলত ‘থানার পাড়া কালীপুজো’ হিসেবেই পরিচিত ছিল। এবার সেই পুজো আরও বড় আকারে করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।
সংখ্যালঘু অধ্যুষিত সুতি থানার প্রাঙ্গণে অবস্থিত কালীমন্দিরে এবার বিশেষ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। মূর্তিতে নতুন করে রং করার পাশাপাশি তৈরি হচ্ছে সুদৃশ্য মণ্ডপ। পুজোর পর প্রায় আট হাজার মানুষের জন্য নরনারায়ণ সেবা, বস্ত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হচ্ছে।
একইভাবে শক্তিপুর থানাতেও কালীপুজো বড় করে করার প্রস্তুতি চলছে। সেখানে পাথরের মূর্তিতে নতুন করে রং করা হচ্ছে। আগামী ১৩ অক্টোবর প্রায় ১২ হাজার মানুষের জন্য নরনারায়ণ সেবার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এছাড়াও রঘুনাথগঞ্জ থানার জঙ্গিপুর পুলিশ ফাঁড়ি, ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, এনটিপিসি ফাঁড়ি এবং সাগরদিঘি থানাতেও বড় করে কালীপুজোর আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রীর বক্তব্যের পর এই প্রস্তুতি কতটা বিস্তৃত হয়, এখন সেদিকেই নজর।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







