সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া ডিএ (DA) মামলায় রাজ্য সরকারের অবস্থানে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া সর্বশেষ স্ট্যাটাস রিপোর্টে রাজ্য জানিয়েছে, বকেয়া ডিএ-র ১০০ শতাংশ একসঙ্গে পরিশোধ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। পরিবর্তে, আদালতের কাছে ৮৫ শতাংশ বকেয়া মেটানোর অনুমতি চাওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও নতুন বেঞ্চ গঠনের কারণে তা আর হয়নি। তার আগে বুধবার রাতে রাজ্যের তরফে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা পড়ে। সেখানে বলা হয়েছে, রাজ্যের কোষাগারের ওপর আর্থিক চাপ থাকায় সম্পূর্ণ বকেয়া ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। তাই বাকি ১৫ শতাংশের ক্ষেত্রে আদালতের কাছে ছাড় চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, ২০২৮ সালের মধ্যে চার কিস্তিতে বকেয়া ডিএ পরিশোধের পরিকল্পনা রয়েছে।
এই অবস্থান পরিবর্তনকে ভালোভাবে নিচ্ছেন না রাজ্যের একাংশ সরকারি কর্মচারী। তাঁদের মতে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সম্পূর্ণ বকেয়া মেটানোর বদলে ৮৫ শতাংশ দেওয়ার প্রস্তাব কর্মচারীদের প্রত্যাশার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডিএ নিয়ে আশ্বাস দিয়ে বলেছিলেন, রাজ্যের সঙ্গে কেন্দ্রের ডিএ-র ব্যবধান ধাপে ধাপে কমিয়ে আনা হবে। তিনি বলেছিলেন, “অনেকে ভেবেছিলেন ৪২ শতাংশই হয়তো দিয়ে দেব। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ১০ শতাংশের কথাও বলা হচ্ছিল। ৪২ বা ১০—কোনোটাই করিনি। হিসাব করে দিয়েছি। আগামী দিনে আরও মেকআপ করব।”
এদিকে, ভোটের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাজ্য সরকার সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তও নিয়েছে। নবান্ন থেকে জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই কমিশন সরকারি কর্মচারীদের বেতন, ভাতা, ডিএ এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ করবে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







