আসন্ন নির্বাচনে উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক সমীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ির কাওয়াখালি ময়দানে জনসভা করলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবে এবারের বক্তব্যে পাহাড়ের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট বার্তা বা স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের আশ্বাস না মেলায় হতাশ হয়েছেন পাহাড় থেকে আসা কয়েক হাজার মানুষ। ইতিপূর্বে বিভিন্ন নির্বাচনে পাহাড়ের বঞ্চনা ও গোর্খাদের অধিকার নিয়ে সরব হতে দেখা গেলেও, রবিবারের সভায় এ বিষয়ে একটি শব্দও খরচ করেননি তিনি।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে, এদিনের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং, রোশন গিরি এবং জিএনএলএফ-এর মন ঘিসিং-এর মতো নেতৃত্বরা। তাঁদের উপস্থিতিতেও পাহাড় ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর এই নীরবতা রাজনৈতিক মহলে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’ ও অমিত শাহের বক্তব্যে অখণ্ড বাংলার সুর শোনা গিয়েছিল; মোদীর এদিনের বক্তব্যেও কি তারই প্রতিফলন ঘটল কি না, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা।
পাহাড় নিয়ে নিশ্চুপ থাকলেও, তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, পর্যটন থেকে শিল্প—সব ক্ষেত্রেই উত্তরবঙ্গকে বঞ্চনা করা হয়েছে। চা শ্রমিকদের জমির মালিকানা থেকে শুরু করে রাজবংশী ও আদিবাসীদের উন্নয়নের পথে তৃণমূল বাধা সৃষ্টি করছে বলেও তিনি দাবি করেন। তবে ২৩ এপ্রিলের নির্বাচনের আগে পাহাড় নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি না পাওয়ায় গোর্খা সম্প্রদায়ের মধ্যে চাপা ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







