মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাপী তেল সংকট তীব্রতর হওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ। এই সংকট কাটিয়ে উঠতে আবারও ভারতের সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ঢাকা। একটি বিশেষ পরিকল্পনার অধীনে, বাংলাদেশ রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল ক্রয় করবে, যা ভারতে পরিশোধিত হওয়ার পর আমদানির মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো হবে।
বাংলাদেশের একমাত্র শোধনাগারটি রাশিয়ার ভারী ‘ক্রুড অয়েল’ পরিশোধনে সক্ষম নয় বলেই এই কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তেল ক্রয় থেকে শুরু করে পরিশোধন—সব খরচই বহন করবে বাংলাদেশ। এছাড়া, বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারত এপ্রিল মাসেই অসমের নুমালিগড় শোধনাগার থেকে ৪০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশের পার্বতীপুর ডিপোতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মৈত্রী পাইপলাইন সাময়িক বন্ধ থাকলেও, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আমলে তা পুনরায় সক্রিয় হয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, জ্বালানির জন্য একক কোনো দেশের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা ভবিষ্যতে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বর্তমানে এই ভারত-বাংলাদেশ জ্বালানি চুক্তিই ঢাকার প্রধান ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







