২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট শুরু হতে আর মাত্র ১২ দিন বাকি। এই পরিস্থিতিতে আজ, শনিবার বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন দিন হিসেবে চিহ্নিত হলো। রাজ্যের শাসন ক্ষমতা দখলে মরিয়া কেন্দ্র ও রাজ্যের চার শীর্ষ নেতার মোট ১১টি সভা ও রোড-শো ঘিরে গোটা রাজ্য এখন আক্ষরিক অর্থেই এক বিশাল রাজনৈতিক ময়দান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কালনা থেকে তাঁর প্রচার শুরু করে জঙ্গিপুর ও কুশমণ্ডিতে ঝটিকা সফর করছেন, যেখানে তাঁর মূল লক্ষ্য হলো বিজেপির ‘সংকল্পপত্র’ ও মহিলাদের জন্য আর্থিক সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি জনগণের সামনে তুলে ধরা। অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেশিয়াড়ি, ঝাড়গ্রাম ও বড়জোড়া-সহ চারটি জায়গায় সভা করে বিজেপির বিরুদ্ধে ‘বঞ্চনা’ ও ‘অত্যাচারের’ পাল্টা অভিযোগ শানাচ্ছেন।
শনিবারের এই মেগা লড়াইয়ে পিছিয়ে নেই অমিত শাহ ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পুরুলিয়ার বাঘমুণ্ডি ও বাঁকুড়ার ছাতনায় জনসভা করে সংগঠনের শক্তি বাড়াতে সচেষ্ট হয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাঁইথিয়ায় জনসভা এবং মেমারিতে বর্ণাঢ্য রোড-শো-র মাধ্যমে প্রচারের পারদ আরও চড়িয়েছেন। এবারের নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের ক্ষেত্রে মহিলা ভোটাররা যে অন্যতম নির্ণায়ক শক্তি হতে চলেছেন, তা আজ কালনা ও কেশিয়াড়ির জনসভা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গেছে। মোদীর দেওয়া ‘৬ গ্যারান্টি’ এবং মমতার ‘উন্নয়ন ও অধিকারের লড়াই’—সব মিলিয়ে এই মেগা শনিবারের বাক-যুদ্ধ ছাব্বিশের ভোটের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







