বাগেশ্বর বাবা আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে। এর আগে বাংলায় এসে আমিষ-নিরামিষ নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। তবে এবার শ্রীকৃষ্ণ ও ভগবান রামের তুলনা করে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। যদিও পরে নিজের বক্তব্যের জন্য ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। এই পরিস্থিতিতে বাগেশ্বর বাবাকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।
কুণাল ঘোষের প্রশ্ন, “শ্রীকৃষ্ণকে এইভাবে অপমান করার অধিকার বাগেশ্বরকে কে দিল?” পাশাপাশি তাঁর আগের আমিষ-নিরামিষ মন্তব্যও তুলে ধরেছেন কুণাল। তাঁর বক্তব্য, “এর আগে বাঙালিদের কটূক্তি, এবার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত, ঈশ্বরের অপমানে মামলা হবে না?”
শ্রীকৃষ্ণ ও রামকে নিয়ে কী বলেছিলেন বাগেশ্বর বাবা?
সম্প্রতি ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর একটি বক্তব্যের দৃশ্য সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে শ্রীকৃষ্ণের দাঁড়ানোর ভঙ্গি নিয়ে মন্তব্য করতে শোনা যায় তাঁকে। তিনি বলেন, শ্রীকৃষ্ণের মূর্তিতে শরীর তিন জায়গায় বাঁকানো থাকে। তাঁর পা, কোমর ও ঘাড়ের ভঙ্গি নিয়েও মন্তব্য করেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী।
এরপর ভগবান রামের সঙ্গে তুলনা টানেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, তাঁদের ঠাকুর সোজা দাঁড়ান এবং সোজা হাঁটেন। অন্যদিকে, শ্রীকৃষ্ণের বাঁকা ভঙ্গি নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি বাঁশি বাজানো ও ধনুক ধরার বিষয়েও তুলনা করেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। আর এই বক্তব্য ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক।
বিতর্কের পর ক্ষমা চাইলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী
তবে বিতর্ক বাড়তেই নিজের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেন বাগেশ্বর বাবা। তিনি বলেন, “আমি নিজে কৃষ্ণের ভক্ত। আমি শ্রীকৃষ্ণের গুণগান গাই।” রাম ও কৃষ্ণের মধ্যে বিভেদ তৈরির কোনও উদ্দেশ্য তাঁর ছিল না বলেও দাবি করেন তিনি।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর আরও বক্তব্য, বাঁশি নিয়ে একটি জনপ্রিয় কথার ব্যাখ্যা করছিলেন তিনি। তবে তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে বলে দাবি করেন। পাশাপাশি তিনি জানান, রাম ও কৃষ্ণ আসলে একই। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার পরেও তাঁর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক থামেনি।

Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







