কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো মানেই বাঙালির ঘরে ঘরে উৎসবের আমেজ। আর টলিউড অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্যর বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর আয়োজন যেন একেবারে অন্য মাত্রার। ১৯৮৯ সাল থেকে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে হয়ে আসছে এই পুজো। বিয়ের পর দীর্ঘ ২৯ বছর ধরে এই উৎসবের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী। পুজোর ব্যস্ততার মাঝেই টিভি৯ বাংলার সঙ্গে কথোপকথনে ভাগ করে নিলেন বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর নানা অজানা কথা।
অপরাজিতার কাছে এই পুজো শুধু দেবীর আরাধনা নয়, বরং দেবীর জন্মদিন উদ্যাপনের মতোই বিশেষ একটি দিন। মহাসমারোহে আয়োজন করা হয় সত্যনারায়ণ পুজোরও। তবে এই বাড়ির পুজোর সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হল, এত বড় আয়োজন সত্ত্বেও আলাদা করে কাউকে নিমন্ত্রণ করার প্রয়োজন পড়ে না। প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। অভিনেত্রীর কথায়, “লক্ষ্মীপুজোয় তেমনভাবে কাউকে নিমন্ত্রণ করতে হয় না, মানুষ এমনিই আসে। মা লক্ষ্মী নিজেই নিজের পুজো এত বড় করে নিয়েছেন।”
প্রতি বছরই দেবীর সাজসজ্জায় থাকে নতুনত্ব। নির্দিষ্ট কোনও নিয়মে বাঁধা নয় মায়ের গয়না বা পোশাক। থিমের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই সাজানো হয় দেবীকে। চলতি বছর পোশাকের সঙ্গে মানানসই অপূর্ব মিনা করা গয়নায় সেজেছেন মা লক্ষ্মী। অভিনেত্রীর কথায়, বাড়ির সর্বময় কর্ত্রী স্বয়ং মা লক্ষ্মী। তাই যে কোনও সিদ্ধান্তের আগে তাঁর অনুমতি নেওয়াই নিয়ম।
উৎসবের আনন্দের মাঝেও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অপরাজিতা। বিশেষ করে চোরবাগানের ঘটনা এবং সমাজের অস্থিরতা তাঁকে ভাবিয়ে তুলেছে। কোভিডের পর থেকে পৃথিবীর পরিবর্তিত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, “কোভিডের পর থেকেই পৃথিবীর ভয়ঙ্কর অবস্থা। মা ভীষণ অস্থির হয়ে আছেন, চাই সবার মধ্যে সহিষ্ণুতা আসুক।”
ধনসম্পদের পাশাপাশি সুস্থতা ও সচেতনতাকেই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ বলে মনে করেন অপরাজিতা। তাঁর প্রার্থনা, মা লক্ষ্মীর আশীর্বাদে সকলের জীবনে আসুক শান্তি, সুস্থতা ও সহিষ্ণুতা।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







