সরকার গঠনের পর প্রথমবার ঠাকুরনগরের মতুয়াগড় ঠাকুরবাড়িতে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে ঠাকুরবাড়ির মন্দিরে পুজো দেন তিনি। ঘণ্টা বাজিয়ে প্রদীপ হাতে আরতিও করেন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শান্তনু ঠাকুর ও তাঁর স্ত্রী তথা বিধায়ক সোমা ঠাকুর। পুজো দেওয়ার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজ সারেন মুখ্যমন্ত্রী। আর তাঁর জন্য নিজের হাতেই একাধিক পদ রান্না করেন সোমা ঠাকুর।
মুখ্যমন্ত্রীর আপ্যায়নে সকাল থেকেই ঠাকুরবাড়ির রান্নাঘরে ছিল ব্যস্ততা। সোমা ঠাকুর জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর জন্য তিনি নিজেই রান্নার কাজে হাত লাগিয়েছেন। মেনুতে ছিল ভাত, উচ্ছে ভাজা, বেগুন ভাজা, পমফ্রেট মাছ, চিংড়ির মালাইকারি, মটন, দেশি মুরগির ঝোল, চিংড়ি দিয়ে মোচা, ইলিশ ভাপা, ইলিশ ভাজা, দই ও মিষ্টি। তবে বিশেষ আকর্ষণ ছিল ঠাকুরবাড়ির নিজস্ব পদ ‘চিংড়ি পিঠে’।
এদিন ঠাকুরমন্দিরে তিন গোঁসাই ঠাকুরকে বরণ করার পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রী কোনওদিন মতুয়াদের কথা ভাবেনি। নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ভাবেননি। মতুয়াদের আশীর্বাদেই আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। আজ এখানে সেবা কার্য করতে এসেছি।”
অন্যদিকে, ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও নজর ছিল। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, শুভেন্দু অধিকারীর সভার পর শান্তনু ঠাকুরের বাড়িতে মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়। এরপর বিকেলে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রীর।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







