রাজনীতিতে অসম্ভব বলে কিছু হয় না। উপস্থিত পরিস্থিতি অনুযায়ী স্থানীয় নেতৃত্ব অনেক সময় বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে। তেমনি ঘটনা ঘটেছে দিল্লিতে। দিল্লিতে ইন্ডি জোটে নতুন সমীকরণ। বঙ্গ নেতাদের অন্ধকারে রেখেই কাছাকাছি কেরল সিপিএম ও তৃণমূল। বাংলায় বিজেপি বিরোধিতার স্বার্থে রাজনীতির দুই মেরুতে থাকা দুই দলের নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠতা অস্বস্তিতে ফেলেছে আলিমুদ্দিনকে। দিল্লির রাজনীতিতে জন্ম নেওয়া নয়া সমীকরণ নিয়ে কানাঘুষো শুরু হতেই আপত্তি জানিয়েছে বঙ্গ সিপিএমের কমরেডরা। রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে জোটে ‘না’ জানিয়ে দিয়েছে আলিমুদ্দিন। তবে দিল্লিতে তৈরি হওয়া নতুন সমীকরণের কথা বঙ্গ সিপিএমকে জানানো হচ্ছে না কেন? প্রশ্ন তুলেছে আলিমুদ্দিন। রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু বলে কিছু নেই। গণতন্ত্রে দলের স্বার্থই শেষ কথা। কিন্তু যে তৃণমূলের বিরুদ্ধে দেড় দশক ধরে লড়াই চালাচ্ছে বামেরা, সেই দলের সঙ্গেই সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আর তা নিয়েই অস্বস্তি বাড়ছে বঙ্গ সিপিএমের অন্দরে। প্রশ্ন উঠছে, দিল্লির রাজনীতির স্বার্থেই কি বাংলায় নিজেদের অবস্থান বদলাতে পারে সিপিএম।
সেই প্রশ্নই ঘোরাফেরা করছে আলিমুদ্দিনের অন্দরে। যদিও দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে গড়ে ওঠা নয়া সমীকরণে আপত্তি জানিয়েছে বঙ্গ সিপিএম। এক সময় সিপিএমের বঙ্গ নেতৃত্বের সঙ্গে কেরল শিবিরের বিরোধ ছিল মূলত দলের নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক ক্ষমতা নিয়ে। এখন সেই সমীকরণে যোগ হয়েছে তৃণমূলের সংসদীয় নেতৃত্বের একাংশ। দিল্লিতে কেরল-ঘনিষ্ঠ সিপিএম নেতাদের সঙ্গে তৃণমূলের সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন ও মহুয়া মৈত্রের যোগাযোগ ঘিরে নতুন জল্পনা তৈরি হয়েছে। বাংলায় সিপিএম ও তৃণমূলের মধ্যে কোনও সমঝোতার পথ তৈরি হচ্ছে কি না, তা নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা। মমতা-ঘনিষ্ঠ কংগ্রেস নেতাদের একাংশও এই উদ্যোগে যুক্ত বলে দলীয় সূত্রের দাবি।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519







