সাম্প্রতিক সম্পাদকীয় অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৪ জন রাজ্যসভা প্রতিনিধির তালিকায় সবচেয়ে চমকপ্রদ নাম রাজীব কুমার। প্রাক্তন এই পুলিশকর্তাকে মনোনীত করার নেপথ্যে কূটনৈতিক মহল মূলত চারটি প্রধান কারণ দেখছেন:
-
সুরক্ষা কবচ: সারদা ও আইপ্যাক কাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তের মুখে থাকা রাজীবকে সাংসদ পদের মাধ্যমে একধরণের আইনি ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা দিতে চেয়েছেন মমতা।
-
রাজনৈতিক টক্কর: সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে মানহানির মামলার মাধ্যমে রাজীব সরাসরি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন। সাংসদ হিসেবে তিনি দিল্লির দরবারে বিজেপির সাথে সমানে সমানে লড়াই করার জায়গা পাবেন।
-
জাতীয় নিরাপত্তা ও সমন্বয়: সীমান্তবর্তী এলাকা ও গোয়েন্দা তথ্যে রাজীবের অগাধ অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ে তাঁকে ‘সেতুবন্ধন’ হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে তৃণমূল।
-
প্রশাসনের মনোবল বৃদ্ধি: রাজীবকে পুরস্কৃত করে মমতা রাজ্যের অন্যান্য আমলাদের এই বার্তাই দিলেন যে, কেন্দ্রীয় চাপের মুখে নতিস্বীকার না করলে দল তাঁদের পাশে থাকবে।
একদা রাজীবের সমালোচক মমতা আজ তাঁকে ‘সেরা অফিসার’ হিসেবে সংসদে পাঠিয়ে এক মাস্টারস্ট্রোক দিলেন বলেই মনে করা হচ্ছে।
Author: Supravat Bangla
PRGI Approved - WBBEN/25/A1519


